Banner

হিসাববিজ্ঞান কার্যপত্র বাই সিরাজ স্যার:

বিস্তারিত জানতে নিম্নের অপশনে ক্লিক করতে হবে। 

👉👉 কার্যপত্র প্রস্তুতের নিয়ম:

👉👉 সকল সমন্বয় এর জবেদা : 

👉সমন্বয় জাবেদা জাবেদার ১ মিনিটের ক্লাস:

👉 সমাপনী জাবেদার ১ মিনিটের ক্লাস:

👉 চট্টগ্রাম বোর্ড-২০১৯: কার্যপত্র এর সঠিক সমাধান: 

👉 বরিশাল বোর্ড-২০১৯: কার্যপত্র এর সঠিক সমাধান: 



👉এক কথায় প্রশ্ন ও উত্তর (বহুনির্বাচনী প্রশ্নের জন্য:

   ১। কার্যপত্র বা ওয়ার্ক শীট হল- হিসাব নিকাশের একটি প্রাথমিক বহুঘর বিশিষ্ট খসড়াপত্র।
২। যে শীট বা তালিকার মাধ্যমে রেওয়ামিল , সমন্বয় , সমন্বিত রেওয়ামিল , আয় বিবরণী ও আর্থিক অবস্থার বিবরণী (উদ্বৃত্তপত্র) প্রদর্শন করে ব্যবসায়ের নীট মুনাফা বা নীট ক্ষতি এবং দায় ও সম্পদের অবস্থা সম্পর্কে জানা যায় তাকে বলে- ওয়ার্ক শীট বা কার্যপত্র। 
৩। কার্যপত্র তৈরি সম্পূর্ণ-ইচ্ছাধীন বা ঐচ্ছিক ।৪। কার্যপত্র হিসাবচক্রের - ঐচ্ছিক ধাপ।
৫। জাবেদা বা সাধারণ খতিয়ানের অংশ নহে- কার্যপত্র।
৬। কোনটি হিসাব নিকাশের একটি প্রাথমিক বহুঘর বিশিষ্ট খসড়াপত্র  বা কার্যপত্র।
৭।  হিসাব লিপিবদ্ধকরণের কয়টি  ভিত্তি রয়েছে-দু‘টি। যথা: নগদভিত্তিক ও বকেয়াভিত্তিক  হিসাববিজ্ঞান।
৮। কোন ভিত্তি অনুসারে কেবলমাত্র নগদ প্রাপ্তি ও নগদ প্রদান সংক্রান্ত  লেনদেন লিপিবদ্ধ করা হয়- নগদভিত্তিক হিসাববিজ্ঞান।
৯। কোন ভিত্তিতে নগদ প্রাপ্তি ও প্রদান সংক্রান্ত লেনদেন ছাড়াও বকেয়া এবং অগ্রিম সংক্রান্ত আয় ও ব্যয় সমন্বয় সাধন করার মাধ্যমে আর্থিক ফলাফল নির্র্ণয় করা হয়-বকেয়া ভিত্তিক হিসাববিজ্ঞান।
১০। কার্যপত্র কয় প্রকারের হতে পারে- তিন প্রকার।  যথা-(ক) সাধারণ কার্যপত্র , (খ) বিস্তৃত কার্যপত্র এবং (গ) নিরীক্ষা কার্যপত্র। 
১১। সাধারণ কার্যপত্র কত জোড়া হয়- চার জোড়া (৮ ঘরা) , পাঁচ জোড়া (১০ ঘরা) ও ছয় জোড়া (১২ ঘরা)।
১২। কার্যপত্র তৈরির উদ্দেশ্য হল- দ্রæত ও নির্ভুল আর্থিক বিবরণীসমূহ (আয় বিবরণী ও আর্থিক অবস্থার বিবরণী  বা উদ্বৃত্তপত্র ) প্রস্তুত ও বণ্টন করা, সমন্বয় ও সমাপনী দাখিলা দেয়া সহজীকরণ  এবং হিসাব বইসমূহের গাণিতিক শুদ্ধতা নিশ্চিত করা । 
১৩। উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে কার্যপত্রকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়- চারভাগে। 
যথাঃ-(ক) সাধারণ কার্যপত্র , (খ) বিস্তৃত বা বিশেষ কার্যপত্র (গ) নিরীক্ষা কার্যপত্র এবং (ঘ) নগদ প্রবাহ কার্যপত্র।
১৪। কার্যপত্র আর্থিক বিবরণীর-পরিপূরক। 
১৫। হিসাববিজ্ঞানের কোনটি স্থায়ী রেকর্ড নয়-কার্যপত্র। 
১৬। কোনটি প্রতিষ্ঠানের নিয়মমাফিক কোন হিসাবের বই নয়-কার্যপত্র। 
১৭। কার্যপত্র হিসাবচক্রে ব্যবহৃত হয়-ইচ্ছাধীন বা ঐচ্ছিক ধাপ বা প্রক্রিয়া হিসাবে।
১৮। কার্যপত্র প্রস্তুত করলে তা থেকে সমাপনী দাখিলা প্রদান করা খুবই-সহজতর হয়।
১৯। কার্যপত্র ও স্থিতিপত্রের মধ্যে পার্থক্য হল-কার্যপত্র হিসাবের কোন অংশ নয় , একটি খসড়া পত্র মাত্র। পক্ষান্তরে আর্থিক অবস্থার বিবরণী
     (উদ্বৃত্তপত্র) আর্থিক বিবরণীর অংশ।
২০। চার জোড়া (৮ ঘরা) কার্যপত্রের ধাপগুলো হল -রেওয়ামিল , সমন্বিত রেওয়ামিল , আয় বিবরণী ও আর্থিক অবস্থার বিবরণী । 
২১। পাঁচ জোড়া (১০ ঘরা) কার্যপত্রের ধাপগুলো হল -রেওয়ামিল , সমন্বয় , সমন্বিত রেওয়ামিল , আয় বিবরণী ও আর্থিক অবস্থার বিবরণী। 
২২। ছয় জোড়া (১২ ঘরা) কার্যপত্রের ধাপগুলো হল -রেওয়ামিল , সমন্বয় , সমন্বিত রেওয়ামিল , আয় বিবরণী , রক্ষিত আয় বিবরণী ও 
      আর্থিক অবস্থার বিবরণী (উদ্বৃত্তপত্র)। 
২৩। কার্যপত্রে নীট আয় বা নীট মুনাফা কোন কোন কলামে দেখানো হয়- আয় বিবরণীর ডেবিট পার্শ্বে এবং আর্থিক অবস্থার বিবরণীর 
      (উদ্বৃত্তপত্রের) ক্রেডিট পার্শ্বে। 
২৪। কার্যপত্রে নীট ক্ষতি কোন কোন কলামে দেখানো হয়- আয় বিবরণীর ক্রেডিট পার্শ্বে এবং আর্থিক অবস্থার বিবরণীর ডেবিট পার্শ্বে। 
২৫। কোন হিসাবকালের শেষে আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতের সময় অলিপিবদ্ধকৃত লেনদেন , বকেয়া খরচ , বকেয়া আয় , অগ্রিম প্রদত্ত খরচ এবং অগ্রিম প্রাপ্ত আয় ইত্যাদি বিষয়সমূহকে হিসাবে লিপিবদ্ধকরণের দাখিলাকে- সমন্বয়ী জাবেদা দাখিলা বলে।
২৬। কোন প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট যে সময়ের ব্যবধানে আর্থিক বিবরণী তৈরি ও উপস্থাপন করে তাকে বলে-হিসাবকাল।
২৭। সমন্বয় দাখিলার ভিত্তিসমূহ হচ্ছে- বকেয়া ভিত্তি হিসাববিজ্ঞান, আয় স্বীকৃতি নীতি এবং আয়-ব্যয় সংযোগ নীতির প্রয়োগ।
২৮। সমন্বয় দাখিলার প্রকারভেদগুলো হচ্ছে-(ক) অগ্রিমসমূহ। অগ্রিমসমূহ দু‘প্রকারের হয়। যথা-(১) অগ্রিম প্রদত্ত খরচ;(২) অনাপর্জিত আয় বা অগ্রিম প্রাপ্ত আয় (খ) বকেয়াসমূহ। বকেয়াসমূহ দু‘প্রকারের হয়।যথা-(১) বকেয়া খরচ ; (২) বকেয়া আয়।
২৯। হিসাবকাল শেষে আর্থিক বিবরণী প্রণয়নের সময় মুনাফা জাতীয় আয়-ব্যয় বন্ধ করার জন্য প্রয়োজন হয়- সমাপনী জাবেদা দাখিলার। 
৩০। কোন জাতীয় হিসাবগুলো হতে পরবর্তী বৎসরে কোন সুবিধা পাওয়া যায় না বলে ইহাদের জের পরবর্তী বৎসরে টানা যায় না- 
        মুনাফা জাতীয় আয়-ব্যয়।
৩১। বিপরীত দাখিলা হল-সমন্বয় দাখিলার বিপরীত।
৩২। কোন দাখিলা নতুন বছরের প্রথম দিন দেখানো হয়- বিপরীত দাখিলা।
৩৩। সকল সমন্বয় দাখিলার ক্ষেত্রে নয় , শুধুমাত্র বিশেষ বিশেষ সমন্বয় দাখিলার ক্ষেত্রে কোন দাখিলা দেয়া হয়- বিপরীত দাখিলা।
৩৪। হিসাব প্রক্রিয়ায় কোন দাখিলা একটি ঐচ্ছিক বা ইচ্ছাধীন কাজ- বিপরীত দাখিলা।
৩৫। নতুন হিসাবকালের শুরুতে পূর্ববর্তী হিসাবকালের বকেয়া ও অগ্রিম  সংক্রান্ত আয় ও ব্যয়সমূহের জন্য কোন জাবেদা দাখিলা দেয়া হয়-
       বিপরীত জাবেদা দাখিলা।
৩৬। সমন্বয় ও সমাপনী দাখিলার পর কোন দাখিলা দিতে হয়- বিপরীত দাখিলা।
৩৭। হিসাবকাল সাধাণত- এক বছর বা ১২ মাসের হয়। তবে হিসাবকাল মাসিক , ত্রৈমাসিক , ষান্মাসিক হতেও দেখা যায়। 
৩৮। বিদেশের সাথে তাল মিলিয়ে কোন কোন প্রতিষ্ঠান হিসাবকাল হিসেবে বিবেচনা করে-১লা অক্টোবর থেকে পরবর্তী বছরের ৩০শে সেপ্টেম্বর সময়কালকে। 
৩৯। একটি প্রতিষ্ঠানে সংগঠিত লেনদেন গুলোকে প্রধানত কয়ভাগে ভাগ করা যায়Ñদু্ইভাগে
যথা-
ক) মূলধন জাতীয় লেনদেন ও
খ) মুনাফা জাতীয় লেনদেন ।
৪০। মূলধন জাতীয় লেনদেনকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়- তিন ভাগে। 
যথা ঃ
১) মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি
২) মূলধন জাতীয় আয়
৩) মূলধন জাতীয় ব্যয় 
১। মুনাফা জাতীয় লেনদেনকে প্রধানত কয়ভাগে ভাগ করা যায়Ñদু’ভাগে। 
যথা ঃ
১) মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি বা আয় 
২) মুনাফা জাতীয় ব্যয় 
উপরোক্ত এক কথায় প্রশ্ন ও উত্তরগুলো ভালভাবে মনে রাখলে বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর দেয়া সহজ হবে।

নির্দেশনায়ঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম - বি.বি.এ (অনার্স) এমবিএ , প্রভাষক হিসাব বিজ্ঞান বিএমএসসি|



Theme images by fpm. Powered by Blogger.